Exclusive

মুখে প্রস্রাব লাগালে কি ব্রণ ভালো হয়?

আমাদের দেশের ছেলেরা হাতের কাজ করতে করতে মুখে ব্রণ উঠিয়ে ফেলে। শরীর চিকন হয়ে শুকিয়ে যায়। ব্রণের দাগের কারণে তাদেরকে হরর মুভির দৈত্যের মত লাগে। এমনকি মেয়েদেরও একই সমস্যায় ভুগতে হয়। এরকম ছেলেমেয়েদের উদ্দেশ্যে এলাকার জলিল কাকুদেক বলতে শোনা যায়, “ঘুম থেকে উঠে ব্রণের মধ্যে প্রস্বাব লাগাবা, ব্রণ ভালো হয়ে যাবে।”

কিন্তু আসলে কতটা যৌক্তিক এ কথাটি? চলুন যেনে নেয়া যাক । এ ধারণাটি আসলে ভুল। গালে প্রস্রাব লাগালে ব্রণ ভালো হয় না। প্রস্রাবে নানান ধরণের জীবাণু থাকে। ব্রণে প্রস্রাব লাগালে এতে মুখমন্ডলে জীবাণুর সংক্রমণ হবার সম্ভাবনা আরো বেশি। এমনকি চিরজীবনের জন্যও মুখে ব্রণ স্থায়ী হয়ে যেতে পারে। তাই কখনোই জলিল কাকুদের পরামর্শে এ ভুল কাজটি করবেন না।মনে রাখবেন, কেউই আপনার মঙ্গল চায় না। রোগ ও অসুস্থতার বিষয়ে সর্বদা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। সুখী জীবন গড়ুন ।

আরো পোড়ুন ~ শার্ট গায়ে দিয়ে,প্যান্ট পরে ইন করে সু পরে টাই মেরে পার্ফিইউম গায়ে দিয়ে, কালার চশমা চোক্ষে নিয়ে সরিষার তেল মেখে সাহেব শুয়রের মতো হয়ে মামুর সাথে মেয়ে দেখতে গেলাম। আমার দ্বায়িত্ব হলো মিষ্টির প্যাকেট নিয়ে মামুর পিছে পিছে ঘুরা। মেয়ের বাসায় যাওয়ার পরে সেই আপ্যায়ন করা হলো।

মেয়ে দেখানোর পূর্বে মুরগীর রোস্ট, ভুনা খাসি, গরুর ঝোল, কড়কড়া মাছ ভাজা দিয়ে হেব্বি খাওয়া খেলাম। জীবনে মামু, চাচাদের সাথে মেয়ে অনেক দেখতে গেছি। অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি মেয়ে এখনো পার্লারে আছে। খাওয়ার পরে মুখে পান দিয়ে এরুম ওরুম ঘুরতে লাগলাম। মামু বসার ঘরে তার হবু শশুড় বাড়ির লোকজনদের সাথে কথা বলছেন।

একটা খুব গোছানো রুম দেখতে পেলাম। হবু মামির রুম হতে পারে। কলম রাখার মগে পানের পিক ফেলে, কম্বল নিয়ে শুয়ে পড়লাম বিছানায়। কি কোমল বিছানা, আহা। ঘুমের মধ্যে একটা স্বপ্নও দেখে ফেললামঃ মামুর বিয়ে হচ্ছে। বাসাটা কি সুন্দর করে সাজানো হয়েছে। চারপাশে সুন্দরীর ছড়াছড়ি। এক সুন্দরী অনেক্ষন ধরে লাইন দিচ্ছে, কাছে যেতেই চিল্লাচিল্লি শুরু করলো আম্মু আম্মু চোখ খুলে দেখি এক হেব্বি সুন্দরী মেয়ে দাঁড়িয়ে।

কাঁধে স্কুল ব্যাগ খোলা চুল, মিষ্টি মুখ। সবাই প্রায় দৌঁড়ে রুমে আসলো। মামু বললেন কিরে তুই এখানে কেন? যা খাওয়া খাইছি, হেব্বি ঘুম পাইছিলো তাই একটু ঘুম দিলাম। মামু রেগে প্রায় টেনে বসার ঘরে নিয়ে গেলেন। হবু মামি সামনে বসে আছেন। বাহ বেশ সুন্দরী মামি। মামির দিকে তাকিয়ে বললাম আপনি গান গাইতে পারেন? জ্বী পারি। আমিও চায়ন গান, ইংলিশ গান, কোরিয়ান গান সব গান ই আমি গাইতে পারি।মাগার কেউ শুনতে চায় না।গান গাইলে গালি দেয়।

বাসার লোকজন তো মারতে পর্যন্ত আসে। তাদের ভয়ে দরজা বন্ধ করে গান গাই। তারা অনেক্ষন দরজায় ধাক্কাধাক্কি করে তারপর কানে তুলা দিয়ে রাখে। হবু মামি হাসলেন, হাসি সুন্দর। মামু রাগী দৃষ্টিতে তাকাচ্ছেন, সেদিকে পাত্তা না দিয়ে বললাম একটা গান শোনান তো। রবীন্দ্রসংগীত? নাহ্ ইন্ডিয়ান ভোজ পুরি গান যৌবন আমার, যৌবন আমার করে লোপালোপ আলুর চপ লাগে লো। মামু এবার ধমক দিয়ে বললেন চুপ একদম চুপ।

মামু তোমার সাথে মেয়েরে মানাবেনা। তুমি হচ্ছো টেকো মাল, মেয়ের চাচার বয়সি। বাদ দাও, তার চেয়ে বরং আমার বিষয়টা একটু ভেবে দেখো। যেই মেয়েকে ওই ঘরে দেখলাম আমার খুব পছন্দ হইছে। উইথ আউট এনি যৌতুক আমি তাকে বিবাহ করিতে চাই। মামুর চোখ লাল হয়ে যাইতেছিলে মনে হয় রাতে কম ঘুম হইছে যাও মামা তুমি ঘুমাও।আর এই জিনিস তোমার মতো প্রেগন্যান্ট মালের জন্য না।

হারামজাদা তেরো এখনে নিয়া আইসা আমি মহাপাপ করছি তুমি কি পাপ না কইরা এতো বড় জিনিস বানাইছে মামা চুপ হারামজাদা আমারে বিয়াটা করতে দে বয়স হইছে বাপ এবার বিয়ে ভাংলে আর বউ পামু না। ৫০০ টাকা দাও চুপ করাতাছি। টাকা দিবে না কি করবি কর! ইস মে তেরা ঘ্যাতা মেরা কুচ নেহি আতা এবার বুঝবি মামু চলবে ।গল্প: মামার বিয়ে ।
লেখক~ নাহিদ