Crime

বিল্ডিং থেকে ব্যবহৃত কন্ডম পড়লো পথচারীর মাথায়! ভাড়াটিয়াদের সাথে পথচারীদের সংঘর্ষ

ঘটনাটি ঘটেছে কমলাপুর এলাকায়। জানা যায়, ছয়তলা বিল্ডিংয়ের নিচে কয়েকজন মিলে আড্ডা দিচ্ছিলো, এমন সময় সাগর নামে একজনের মাথার উপর কিছু একটা পড়ে। মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে দেখে ব্যবহৃত কন্ডম। পাশের বিল্ডিং থেকে তার মাথায় পড়েছে এটা বুঝতে পারলেও কোন ফ্ল্যাট থেকে পড়েছে সেটা বুঝতে পারেনি।

গেটে লাগানো থাকার সাগর এবং তার বন্ধুরা বিল্ডিংয়ে ভিতরে প্রবেশ করতে না পেরে নিচ থেকে চিল্লাপাল্লা করতে থাকে, কেউ কেউ গেটে লাথি দিতে থাকে। আশপাশ থেকে জড়ো হয় আরও কিছু মানুষ। তারাও ঘটনাটি জেনে প্রতিবাদ করতে থাকে।

কিছুক্ষণ পর বিল্ডিংয়ের মালিক শওকত আলী নিচে নেমে আসে এবং ঘটনা জানতে চায়। তাকে মাথায় পড়া ব্যবহৃত কন্ডম দেখালে এই অসভ্যতার বিচার করবে বলে আশ্বাস দেন। তারপর সব ভাড়াটিয়াদের ডেকে জিজ্ঞেস করেন, এই কাজ কে করেছে? সব ভাড়াটিয়া অস্বীকার করেন, বলেন- তাদের উপর মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে। এর ভিতর এক ভাড়াটিয়া বলেন, হয়তো কোনো কাকের ঠোঁট থেকে পড়েছে। এতে তাদের কোনো দোষ নেই, সব দোষ কাকের।

এই কথা শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন, পথচারীরা। তারা বিবাহিত ভাড়াটিয়াদের মাথায় হাত দিয়ে চেক করতে চান, যে কারো চুল ভিজা নাকি। ভাড়াটিয়াদের শরীরে হাত দিতে গেলেই শুরু হয় হাতাহাতি, তারপর সংঘর্ষ। আর এতেই তিন পথচারী এবং পাঁচ ভাড়াটিয়া আহত হন। আহত ভাড়াটিয়াদের নিজেদের রুমে তাদের স্ত্রীরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিচ্ছেন। আর পথচারীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে বিল্ডিংয়ের মালিক বলেন- অনেক দিন ধরে সে নিজে খেয়াল করছে, উপরের তলার ভাড়াটিয়ারা রান্নার ময়লা পলিথিনে করে নিচে ফেলে৷ অনেকবার নিষেধ করলে ভাড়াটিয়ারা অস্বীকার করে।

উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখন এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এরকম অসভ্য ভাড়াটিয়াদের সম্পর্কে জানতে নিউজটি আবার পড়ুন –

ঘটনাটি ঘটেছে কমলাপুর এলাকায়। জানা যায়, ছয়তলা বিল্ডিংয়ের নিচে কয়েকজন মিলে আড্ডা দিচ্ছিলো, এমন সময় সাগর নামে একজনের মাথার উপর কিছু একটা পড়ে। মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে দেখে ব্যবহৃত কন্ডম। পাশের বিল্ডিং থেকে তার মাথায় পড়েছে এটা বুঝতে পারলেও কোন ফ্ল্যাট থেকে পড়েছে সেটা বুঝতে পারেনি।

গেটে লাগানো থাকার সাগর এবং তার বন্ধুরা বিল্ডিংয়ে ভিতরে প্রবেশ করতে না পেরে নিচ থেকে চিল্লাপাল্লা করতে থাকে, কেউ কেউ গেটে লাথি দিতে থাকে। আশপাশ থেকে জড়ো হয় আরও কিছু মানুষ। তারাও ঘটনাটি জেনে প্রতিবাদ করতে থাকে।

কিছুক্ষণ পর বিল্ডিংয়ের মালিক শওকত আলী নিচে নেমে আসে এবং ঘটনা জানতে চায়। তাকে মাথায় পড়া ব্যবহৃত কন্ডম দেখালে এই অসভ্যতার বিচার করবে বলে আশ্বাস দেন। তারপর সব ভাড়াটিয়াদের ডেকে জিজ্ঞেস করেন, এই কাজ কে করেছে? সব ভাড়াটিয়া অস্বীকার করেন, বলেন- তাদের উপর মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে। এর ভিতর এক ভাড়াটিয়া বলেন, হয়তো কোনো কাকের ঠোঁট থেকে পড়েছে। এতে তাদের কোনো দোষ নেই, সব দোষ কাকের।

এই কথা শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন, পথচারীরা। তারা বিবাহিত ভাড়াটিয়াদের মাথায় হাত দিয়ে চেক করতে চান, যে কারো চুল ভিজা নাকি। ভাড়াটিয়াদের শরীরে হাত দিতে গেলেই শুরু হয় হাতাহাতি, তারপর সংঘর্ষ। আর এতেই তিন পথচারী এবং পাঁচ ভাড়াটিয়া আহত হন। আহত ভাড়াটিয়াদের নিজেদের রুমে তাদের স্ত্রীরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিচ্ছেন। আর পথচারীদের কাছে ক্ষমা চেয়ে বিল্ডিংয়ের মালিক বলেন- অনেক দিন ধরে সে নিজে খেয়াল করছে, উপরের তলার ভাড়াটিয়ারা রান্নার ময়লা পলিথিনে করে নিচে ফেলে৷ অনেকবার নিষেধ করলে ভাড়াটিয়ারা অস্বীকার করে।

উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখন এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।