Funny

পাদের ধোঁয়া কি সিগারেটের ধোঁয়ার মতই ক্ষতিকর?

প্রতিদিন পথে ঘাটে, অফিস আদালতে, জীবন সংসারের প্রতিটি মুহূর্তে আমাদের চারপাশে অজস্র মানুষ পাদ দিচ্ছে। আপনি যে সময় আপনার প্রিয়জনের সাথে পার্কে বসে অক্সিজেন ভেবে মুক্ত বাতাস গ্রহণ করছেন, হতে পারে সে সময়ই আপনার পাশে বসা মানুষটি লুকিয়ে পাদ দিয়ে আপনার নিঃশ্বাস নেয়াকে দুষিত করে তুলছে। গন্ধ না থাকার কারণে আপনি টের পাননি। এভাবে প্রতিনিয়তই আপনি না দেখে কারো না কারো দুষ্ট বায়ু গ্রহণ করছেন। ঠিক যেমনটা সিগারেটের ধোঁয়ার মত। সিগারেট না খেয়েও ধুমপায়ীদের কারণে ধোঁয়া প্রবেশ করছে আমাদের নসিকারন্ধে !

গবেষণায় দেখা গেছে, সিগারেট না খেলেও সিগারেটের ধোঁয়া নাকে প্রবেশ করার কারণেই মানুষের ক্যান্সার হয়। প্রশ্ন হচ্ছে, পাদের ক্ষেত্রেও কি তাই? কারো পাদের ধোঁয়া গ্রহণ করলে কি বিশেষ কোনো রোগ হয়? সে সম্পর্কেই আজকে আমরা জানবো…
প্রথমেই জানতে হবে পাদে কি থাকে?

সাধারণ খাবার খাওয়া ব্যক্তির একটি আদর্শ পাদে ৫৯ শতাংশ নাইট্রোজেন, ২১ শতাংশ হাইড্রোজেন, ৯ শতাংশ কার্বন ডাই অক্সাইড, ৭ শতাংশ মিথেন ও ৪ শতাংশ অক্সিজেন থাকে। এরমধ্যে বিদ্যমান বেশিরভাগ পদার্থই সরাসরি নাকে প্রবেশ করেনা। তবে এছাড়াও প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ১ জনের পাদে হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস ও সালফার যুক্ত মেরসাপন্ট্যান্স থাকে, যা কিনা পঁচা গন্ধের সৃষ্টি করে। এই ১টি জ্বালাময়ী পাদই যথেষ্ট আপনার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি করতে !

শরীরে হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস এবং সালফারের প্রবেশ বেশ ক্ষতিকর। তবে সিগারেটের নিকোটিনযুক্ত ধোঁয়া নাকে প্রবেশের কারণে যতটা ক্ষতি হয়, পাদের ধোঁয়ায় ঠিক ততটা ক্ষতি নেই। এটা অনেকটা দখিনা হাওয়ার মত। পাদকে ক্ষতিকর না ভেবে বরং এটাকে আপনি লিলুয়া বাতাস ভাবতে পারেন। তবে সেটা অবশ্যই ৯৯ জনের বিশুদ্ধ পাদ। বাকি ১ জনের দুষিত পাদ নয়…

আরো পড়ুনঃ  পাদ কি? মানুষ কেনো পাদ দেয়?