Local news

শহরের ১ হাজারেরও বেশি দোকানে কুকুরের মাংস

বিষে ভরা কুকুরের মাংস দিয়ে সয়লাব শহরের ১ হাজারের বেশি রেস্তোরা ও মাংসের দোকানগুলো। এ নিয়ে বিপাকে শুধু জনগনই নয়, সরকারও ! ভিয়েতনামবাসীর ডিশে অন্য প্রাণীর চেয়েও অধিক জনপ্রিয় কুকুরের মাংস। এক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, শুধু অন্তত এক হাজারেও বেশি দোকানে কুকুরের মাংস পাওয়া যায় দেশটির রাজধানী হ্যানয়েই।

ভিডিওতে দেখুন কুত্তার মাংস খাওয়ার উৎসব !

নাগরিকদের কুকুরের মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকতে আহ্বান করেছে ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয় কর্তৃপক্ষ। বুধবার এক নির্দেশনায় তারা জানায়, এতে শহরের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়। জলাতঙ্কের মত গুরুতর রোগ হবার আশঙ্কাও থাকে।

বিবিসির ভিয়েতনাম সার্ভিসের সাংবাদিক লিন এনগুয়েন জানান, সম্প্রতি ভিয়েতনামের মানুষ কুকুরের মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকতে সচেতন হচ্ছে। এরপরেও এ খাদ্যাভ্যাস এতই প্রচলিত যে, চাইলেও মানুষ ছাড়তে পারছে না।

হ্যানয় পিপলস কমিটির লোকেরা জানান, সভ্য ও আধুনিক রাজধানী হিসেবে হ্যানয়ের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে তুলতে আমাদের অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে।

কুত্তার পাশাপাশি বিড়ালের মাংস খাওয়া থেকেও নগরবাসীকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে পিপলস কমিটি। কুকুরের চেয়েও বিড়ালের মাংস কম জনপ্রিয় হলেও দোকানে এটি সহজেই মেলে। মূলত নিষ্ঠুরভাবে এসব প্রাণীদের মারা হয় বলে বিড়ালের ব্যাপারেও আপত্তি জানান তারা।

এক পরিসংখ্যান মতে, প্রায় ৪ লাখ ৯০ হাজার কুকুর ও বিড়ালের বাস হ্যানয়ে, যার অধিকাংশই পোষা ও গৃহপালিত।

নগর কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক মানুষজন। তবে সেখানেও এটা নিয়ে তর্ক বিতর্ক ও সমালোচনায় লিপ্ত হয়েছে অনেকে। এতেই বুঝা যাচ্ছে, ভিয়েতনামের মানুষ চাইলেও সহজে কুকুরের মাংস খাওয়া ছাড়তে পারবে না।