Exclusive

মুসলমানি করানোর সময় চিৎকার করেছে ইমরান নামে এক যুবক

হাজামের কাচি, নার্সের তুলা। সব মিলিয়ে এক শিহরণ জাগানো পরিবেশ। একটুপরই কাটা হবে এমডি ইমরানের নুনু। আর ঠিক এমন সময় অমাবশ্যা রাতের পাহাড়ি নেকড়ের মত গগণবিদারী সূরে চিৎকার করে উঠলো উত্তরার বাসিন্দা এমডি ইমরান।

আজ সকালে উত্তরা ৮ নম্বর সেক্টরের অধীনস্ত একটি এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে। যে চিৎকার করেছে, তার নাম্বার দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে সার্চ দিলে নাম আসে এমডি ইমরান। সে গতবছর এসএসসি পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করেছে।

জানা যায়, এমডি ইমরান কাটাছেঁড়ায় ভয় পায়। তাই বয়স ২০ এর কাঠগড়া পেরিয়ে গেলেও ইমরানের এখনো মুসলমানি হয়নি। এজন্য ইমরানের বাবা ইমরানকে হাত পা বেধে নভোথিয়েটারে ঘুরতে নিয়ে যাবার কথা বলে প্রকৃতপক্ষে মুসলমানি করাতে নিয়ে যায়।

নার্সের হাতে কাশফুলের কোমল ছোঁয়া পেয়ে ইমরান প্রথমে শান্ত থাকলেও পরবর্তীতে হাজামের কাঁচি তার ভেতর থেকে বেরিয়ে আসা উচ্ছাসকে নিংড়ে দেয়…

ইমরান কুত্তার মত ডাকা শুরু করে। ইমরানের চিৎকার শুনে নার্সরা তাকে ‘বাবা কিছু হবেনা’ বলে সান্তনা দিতে থাকে এবং একইসাথে তারা ইমরানের বাজপাখি ধরে আস্তে করে লাড়িয়ে দেয়। এতে ইমরানের চিৎকার আরো বেড়ে যায়।

এরপর ইমরান হাত পা ছুঁড়ে অপারেশনে বিরক্ত করতে থাকে। এবং একসময় উঠে পালিয়ে যায়। পরে তাকে নিকটস্থ একটি বাগান থেকে উদ্ধার করা হয়।