Exclusive

উলঙ্গ হয়ে গোসল করার সময় ডেঙ্গু মশার কামড় খেলো মিরপুরের যুবক

রাজধানী ঢাকা সহ সারা দেশ এখন ডেঙ্গু বিপর্যয়ে ভুগছে। ধনী গরিব, শিশু বৃদ্ধ থেকে শুরু করে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার, জজ ব্যারিষ্টার,  ছোটলোক বড়লোক সহ সমাজের প্রায় সকল শ্রেণীর মানুষই কমবেশ ডেঙ্গু ভয়াবহতার শিকার। আর এরইমাঝে আজ সকালবেলা গায়ের জামাকাপড় ফ্লোরে ফেলে রেখে উলঙ্গ হয়ে বাথরুমে গিয়ে গোসল করার সময় ডেঙ্গু মশার কামড় খেলো রাজধানীর এক অসচেতন যুবক। তার নাম সাদেক আলম। মিরপুর কাজীপাড়ার একটি বিলাসবহুল ভবনর পাশের বিল্ডিংয়ে তিনি বসবাস করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা যায়, সাদেক ডিজে গান ছেড়ে গোসল করে। গান ছাড়া সাদেকের গোসল জমেনা। এ নিয়ে প্রতিদিনই ভাড়াটিয়ারা সাদেকের বাসার দরজায় এসে জোরে জোরে ঘুষি দেয়। সাদেক কারো কথা কানে না তুলে পিঠে সাবান মেখে গানের সূরে ন‍াচতে নাচতে গোসল চালিয়ে যায়। অথবা দরজা সামান্য ফাঁক করে সাবানের ফেনা মানুষের গায়ে ছিটিয়ে দিয়ে দরজা লাগিয়ে দেয়। বেশিরভাগ সময়ই সাদেক উলঙ্গ হয়ে গোসল করে।

প্রতিদিনকার মত আজও তাই হয়েছিলো। তবে প্রতিবেশীরা আজ গানের বদলে চিৎকারের শব্দ শুনতে পেয়েছেন। চিৎকার শুনেই ‍তারা ছুটে চলে এসেছেন সাদেকের বাসার দরজার সামনে। সাদেক কেনো চিৎকার করছে এবং কেনো দরজা খুলে সাবানের ফেনা মারছেনা, তা নিয়ে বিচলিত হয়ে সবাই মিলে দরজা ভেঙ্গে ফেলেন। ভিতরে ঢুকে দেখা গেলো, সাদেক গোসলখানার ফ্লোরে বসে দুই পা মেলে দেয়ালে হেলান দিয়ে লজ্জাস্থান চুলকাচ্ছে আর চিৎকার করছে। তখন তাদের ভেতর থেকে একজন জিজ্ঞেস করেন, বাবা তোমার কি হয়েছে? তখন সাদেক হতভম্ভ হয়ে সবাইকে জানায়, “সে ধারণা করছে তার ডেঙ্গু হয়েছে। কিছুক্ষণ আগে সে উলঙ্গ হয়ে গোসল করছিলো। তখন একটি মশা তার লজ্জাস্থানে কামড় দিয়েছে। সে হয়ত আর বাঁচবেনা।”

এ কথা শুনে প্রতিবেশীরা সাদেককে মেন্টালি সাপোর্ট দেয়ার চেষ্টা করে। এবং ডাবের পানি কিনে এনে সাদেককে পান করতে দেয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, উপস্থিত ব্যক্তিবর্গের সাহায্যেই সাদেককে একটি স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে দেয়া হয়েছে। সে এখন চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে।