Bangladesh

হুন্ডার সাইলেন্সারে মূত্রনল আটকে হাসপাতালে ভর্তি হলো নোয়াখালীর রায়হান

আজ সকালে দমকল বাহিনী তাদের উদ্ধারকারী ক্রেনের মাধ্যমে এক অচেনা যুবককে হুন্ডাসহ হাসপাতালে নিয়ে আসে। হুন্ডার ধোঁয়া বের হওয়ার পাইপে আটকে ছিলো যুবকের মূত্রনল।

গুগোলে চাকরি পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন

খবর নিয়ে জানা যায়, সেই যুবকের নাম রায়হান এবং সে অবিবাহিত। রায়হানের বাড়ি নোয়াখালী জেলায়। এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কিভাবে ঘটলো জানতে চাইলে রায়হান জানায়, সে রাতের অন্ধকারে হুন্ডার সাইলেন্সার পাইপ পরিষ্কার করছিলো। অন্ধকারে সে বুঝতে পারেনি কিভাবে তার মূত্রনল ওই পাইপের ভিতর ঢুকে গিয়েছিলো। এরপর বহু চেষ্টা করেও সে মূত্রনল উদ্ধার করতে সক্ষম না হয়ে শেষে দমকল বাহিনীর সাহায্য নেয়।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রতিবেশী জসিম জানায়, রায়হান মিথ্যে বলছে।

শরীরে ব্যথার কারন ও সমাধান জানুন এখানে
আরেকটি জরুরি খবর পড়ুন,

আমাদের দেশে দু’জন ছেলে-মেয়ে একসাথে থাকতে পারার বিষয়টা শুধু বিয়ের মাধ্যমেই সম্ভব। এই ব্যাপারে আইনগত কোন যুক্তি ছিলোনা! তবে উন্নত দেশসমূহে অনেক আগে থেকেই বিয়ে ছাড়াও ছেলে-মেয়েদের একসাথে বসবাসের সুযোগ ছিলো। যেটাকে আখ্যায়িত করা হয় লিভ টুগেদার হিসেবে।

আমাদের দেশে এইরকম সুযোগ না থাকলেও অনেকে লুকিয়ে এবং কাউকে না জানিয়ে লিভ টুগেদার করতো। অনেকে স্বামী-স্ত্রী মিথ্যা পরিচয়ে লিভ টুগেদার করতো। তবে এই বিষয়টিকে আমাদের দেশে ভালো চোখে দেখা হতো না। ঘৃণার চোখে দেখা হতো।

যদিও বাইরের দেশে এটি একটি অতি সাধারণ ঘটনা। তবে এবার থেকে বিয়ে না করেও একসাথে থাকা, অর্থাৎ লিভ ইন করাকে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট সরাসরি মান্যতা দিয়ে দিল। হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন, ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট এই ঘটনাকে মান্যতা দিয়ে দিয়েছে।

গতবছর এই বিষয়ে একটি মামলা হয়েছিলো যার রায় দেয়ার সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, দু’জন ছেলেমেয়ের মধ্যে মনের মিল থাকলেই তারা একসাথে থাকতে পারবে। এজন্য তাদের বিয়ের মতো সামাজিক প্রথার সম্মুখীন হতে হবে না। কোর্ট থেকে আররো বলা হয়েছে যে, দুজন প্রাপ্তবয়স্ক ছেলে-মেয়ে যদি তাদের নিজেদের ইচ্ছায় একে অপরের সাথে থাকতে, সহবাস করতে ইচ্ছুক থাকে তাহলে সমাজের সেটিকে বাধা দেওয়ার অধিকার নেই!

আমাদের সমাজে বিয়ে ছাড়া দু’জন ছেলে-মেয়ের একসাথে থাকা সম্ভব না হলেও সুপ্রিম কোর্ট সেই ব্যাপারে অনুমোদন দিয়েছে। সুপ্রিমকোর্ট জানিয়েছে যে, দুজনের মধ্যে ভালোবাসা আর সম্মতি থাকলেই তাদের আর কোন বাধার সম্মুখীন হওয়া উচিত নয়। ভালোবাসা থাকুক প্রকাশ্যে, সমাজের কোনরকম ভয় না করে।

এই রায়টিকে সমাজে বাজে চোখে দেখা হলেও লিভ ইন করায় আগ্রহী ছেলে-মেয়েরা এই রায়ে অনেক খুশি হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে সমাজের বড় বড় মানুষেরা এই রায়ের ব্যাপারে মোটেও সন্তুষ্ট নয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।