Exclusive

মসজিদে দ্বিতীয়বার জিলাপি চেয়ে অপমানিত হলো যশোরের আরাফাত

শুক্রবারে জুম্মার নামাজের পর মসজিদে মিলাদ মাহফিল ও দোয়ার আয়োজন করা আমাদের দেশের বহু পুরাতন রীতি। আর এসব শেষে মুসুল্লিদের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়। সাধারণত তবারক হিসেবে থাকে জিলাপি।

মাত্র ৫০০ টাকায় বাইক জিতে নিন ই-ভ্যালী থেকে

সব এলাকায়ই এমন কিছু দুষ্টু ছেলে থাকে যারা শুধুমাত্র জিলাপির লোভে মিলাদ কিংবা মুনাজাতে শামিল না হয়েও তবারক বিতরনের সময় হাজির হয়। রসালো জিলাপিতে কামড় দিয়ে তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলে। একবারের জায়গায় ২-৩ বার জিলাপি হরন করে। যশোরের আরাফাত এরকমই একজন পাপী।

শুক্রবারের স্পেশাল অফার, ১৯৯ টাকা মোবাইল রিচার্জ জিতে নিন

আজ জুম্মার নামাজের সময় আরাফাত মোড়ের দোকানে বসে চা-বিড়ি খাচ্ছিলো। বাসায় নামাজে যাবার কথা বলে প্রায়ই সে এই কাজটা করে। নামাজ শেষে যখন মসজিদের মাইকে মিলাদ ও জিলাপির ঘোষণা আসলো, তখনি দুষ্টবুদ্ধি খেলে গেলো আরাফাতের মাথায়। সিদ্ধান্ত নিলো মিলাদের পর সে মসজিদে উপস্থিত হয়ে মাগনা জিলাপি খাবে।

পরিকল্পনা অনুসারে সে মুনাজাতের শেষদিকে মসজিদে ঢুকে অন্যান্য মুসল্লিদের ভীড়ে মিশে যায়। এরপর জিলাপি বিতরন শুরু হলে সে সবার আগে লাইনে গিয়ে দাঁড়ায় এবং জিলাপি পেয়ে গপাগপ কামড় দিয়ে খেয়ে ফেলে। এরপর সে আবার জিলাপির লাইনে দাঁড়ায়। কিন্তু এবার বাঁধে বিপত্তি। জিলাপি যে দিচ্ছিলো সে আরাফাতে গোঁফের ডগায় এক চিমটি জিলাপি দেখে বুঝে ফেলে আরাফাত দ্বিতীয়বার জিলাপি চাচ্ছে। আগেও সে একটি জিলাপি খেয়েছে। ধরা পরে যায় আরাফাত।

এরপর ওই জিলাপি বিতরন করতে থাকা লোকটি আরাফাতকে ‘শয়তান ছেলে’ বলে গালি দেয়, এবং তাকে জিলাপি দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এতে ভীষণ অপমানিত ফীল করে বেচারা আরাফাত এবং নগদে ডিপ্রেশনে চলে যায়।

এই ব্যাপারে আমরা আরাফাতের সাথে কথা বলার কোনো চেষ্টা করিনি।